হোয়েন দ্য ওয়ার্ল্ড শুক

হোয়েন দ্য ওয়ার্ল্ড শুক হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের রোমাঞ্চ, হারানো সভ্যতা ও কল্পবিজ্ঞানের অনন্য সমন্বয়ে লেখা উপন্যাস। এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে জাহাজডুবির পর হামফ্রি আরবাথনট, ড. বিকলি ও বাস্টিন দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় ওরোফেনা দ্বীপে আটকা পড়ে। সেখানে তারা আবিষ্কার করে আড়াই লাখ বছর ধরে স্ফটিকের কফিনে সুপ্ত থাকা এক প্রাচীন সভ্যতার দুই মানুষ—লর্ড ওরো ও তাঁর কন্যা ইভা। কিন্তু তাদের জাগিয়ে তোলার পর তিন বন্ধুর সামনে খুলে যায় এমন এক রহস্য, যা সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে তুলতে পারে।

Read more
  •  ক্যাটালগ থেকে কেন নিবেন?

    ক্যাটালগ থেকে প্রোডাক্ট কেন কিনবেন?

    • আসল বই, নির্ভেজাল পণ্য
    • সারাদেশে হোম ডেলিভারি
    • অপেক্ষাকৃত কম শিপিং কস্ট
    • অপেক্ষাকৃত কম দাম

  Share

হামফ্রি আরবাথনট, ড. বিকলি এবং বাস্টিন—তিন ভিন্ন স্বভাবের বন্ধু। একদিকে আরবাথনট একজন লেখক ও অভিযাত্রী, অন্যদিকে বিকলি একজন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ, আর বাস্টিন একজন ধর্মযাজক। ব্যক্তিগত জীবনের নানা দুঃখ ও হতাশার পর তারা সমুদ্রযাত্রায় বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু তাদের এই যাত্রা খুব দ্রুত পরিণত হয় এক ভয়ংকর অভিযানে।

সমুদ্রের মাঝখানে তাদের জাহাজ এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে। জাহাজের অধিকাংশ মানুষ প্রাণ হারায় এবং তিন বন্ধু কোনোভাবে বেঁচে গিয়ে পৌঁছায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ওরোফেনায়। দ্বীপটির অধিবাসীরা তাদের দেবতা ওরোকে ভয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পূজা করে এবং দ্বীপের এক রহস্যময় আগ্নেয় পাহাড়ের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করে।

কিন্তু নিষিদ্ধ সেই অঞ্চলের রহস্যই শেষ পর্যন্ত তিন বন্ধুকে টেনে নেয় দ্বীপের অভ্যন্তরে। একটি গুহা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করে স্ফটিকের তৈরি দুটি কফিন। তার ভেতরে রয়েছে দুই অদ্ভুত মানুষ, যারা জীবিত হয়েও যেন গভীর ঘুমে নিমগ্ন। তারা জানতে পারে, এই দুই ব্যক্তি একটি অত্যন্ত প্রাচীন সভ্যতার সদস্য এবং প্রায় ২,৫০,০০০ বছর ধরে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

তাদের জাগিয়ে তোলার পর প্রকাশ পায় আরও বিস্ময়কর সত্য। প্রথমজন হলেন ওরো, আর দ্বিতীয়জন তাঁর কন্যা ইভা। তারা এমন এক প্রাচীন যুগের মানুষ, যে যুগকে তারা জ্ঞান ও উন্নত সভ্যতার সময় হিসেবে বর্ণনা করে। আধুনিক পৃথিবীর যুদ্ধ, হিংসা ও মানবিক সংঘাত সম্পর্কে জানতে গিয়ে ওরো বর্তমান মানবসভ্যতার প্রতি গভীরভাবে হতাশ হয়ে পড়ে।

এরপর কাহিনি শুধু একটি হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার রহস্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ওরো সিদ্ধান্ত নেয়, বর্তমান মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করে পৃথিবীতে একটি নতুন যুগ প্রতিষ্ঠা করবে। তার পরিকল্পনা হয়ে ওঠে ভয়ংকর—এক মহাবিপর্যয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর বিরাট অংশ ধ্বংস করা।

অন্যদিকে, ইভার সঙ্গে আরবাথনটের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। প্রাচীন বিশ্বের রহস্য, প্রেম, আত্মা, পুনর্জন্ম, ধর্ম, বিজ্ঞান এবং মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ—সবকিছু একসঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাদের অভিযানের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত ইভা এমন এক আত্মত্যাগ করে, যার ফলে ওরোর ভয়ংকর পরিকল্পনা থেমে যায় এবং অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা পায়।

জাহাজডুবি, রহস্যময় দ্বীপ, আড়াই লাখ বছরের নিদ্রা, হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন সভ্যতা, প্রেম, দর্শন এবং পৃথিবী ধ্বংসের আশঙ্কা—সব মিলিয়ে “হোয়েন দ্য ওয়ার্ল্ড শুক” হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের সবচেয়ে বিস্ময়কর হারানো-জগতের কাহিনিগুলোর একটি।

লেখক/সংকলক

বইয়ের ধরন

প্রকাশক

0.00
0 reviews
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0
Be the first to review “হোয়েন দ্য ওয়ার্ল্ড শুক”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This field is required.

This field is required.

This field is required.

রিভিউ

There are no reviews yet.

My Cart
উইশলিস্ট
বিষয়