আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ
50৳
আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ জুল ভার্নের বিশ্ববিখ্যাত রোমাঞ্চকর অভিযান। ইংরেজ ভদ্রলোক ফিলিয়াস ফগ বাজি ধরেন যে তিনি মাত্র আশি দিনের মধ্যে পুরো পৃথিবী ঘুরে আবার লন্ডনে ফিরে আসতে পারবেন। বিশ্বস্ত সঙ্গী পাসেপার্তুকে নিয়ে শুরু হয় তাঁর অবিশ্বাস্য যাত্রা। ট্রেন, জাহাজ ও নানা বিচিত্র বাহনে একের পর এক দেশ পেরিয়ে এগিয়ে চলে তাঁদের অভিযান। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই যাত্রায় অপেক্ষা করে নানা বিপদ, অপ্রত্যাশিত ঘটনা ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
১৮৭২ সালের লন্ডন। সময়নিষ্ঠ, শান্ত স্বভাবের এবং অত্যন্ত নিয়মানুবর্তী ইংরেজ ভদ্রলোক ফিলিয়াস ফগের জীবন চলে ঘড়ির কাঁটার মতো নির্দিষ্ট নিয়মে। প্রতিদিনের অভ্যাস, নির্ধারিত সময়সূচি এবং লন্ডনের রিফর্ম ক্লাবে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা—এই নিয়েই তাঁর একঘেয়ে জীবন।
একদিন ক্লাবে আলোচনার সূত্র ধরে ফগ দাবি করেন, আধুনিক পরিবহনব্যবস্থার সাহায্যে মাত্র আশি দিনে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করা সম্ভব। তাঁর এই দাবিকে অসম্ভব মনে করে অন্য সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত বিশ হাজার পাউন্ডের বাজি ধরে ফগ ঘোষণা করেন, তিনি আশি দিনের মধ্যেই পৃথিবী ঘুরে লন্ডনে ফিরে আসবেন।
এরপরই শুরু হয় এক অবিশ্বাস্য অভিযান। নতুন নিয়োগ করা ফরাসি সঙ্গী জঁ পাসেপার্তুকে সঙ্গে নিয়ে ফগ ছুটে চলেন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। সুয়েজ খাল, ভারত, হংকং, জাপান এবং আমেরিকার বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড পেরিয়ে তাঁদের যাত্রা এগিয়ে চলে। কখনো ট্রেনে, কখনো জাহাজে, আবার কখনো হাতির পিঠে চড়ে তাঁদের অতিক্রম করতে হয় দুর্গম পথ।
কিন্তু এই অভিযান মোটেই সহজ নয়। পথে নানা বাধা, পরিবহন বিপর্যয় এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের। এরই মধ্যে ভারত থেকে এক তরুণী, আওদাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে ফগ ও তাঁর সঙ্গীরা। অন্যদিকে, ফগকে সন্দেহভাজন ব্যাংক ডাকাত মনে করে গোয়েন্দা ফিক্স তাঁদের পিছু নিতে থাকে।
প্রতিটি মুহূর্ত তখন মূল্যবান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লন্ডনে পৌঁছাতে না পারলে ফগকে হারাতে হবে তাঁর বিশাল বাজির অর্থ। আর সামান্য দেরিও তাঁর পুরো অভিযানের পরিণতি বদলে দিতে পারে।
অবশেষে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলে এই রোমাঞ্চকর বিশ্বভ্রমণ। ফিলিয়াস ফগ কি পারবেন আশি দিনের মধ্যে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে বাজি জিততে? নাকি শেষ মুহূর্তের কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা তাঁর সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দেবে?
| 5 |
|
1 |
| 4 |
|
0 |
| 3 |
|
0 |
| 2 |
|
0 |
| 1 |
|
0 |
একই ক্যাটেগরি থেকে আরো কিছু
মোবি ডিক হারম্যান মেলভিলের বিশ্ববিখ্যাত সমুদ্র-অভিযান ও প্রতিশোধের উপন্যাস। নাবিক ইশমায়েল তিমি শিকারের জাহাজ পিকোড-এ যোগ দিয়ে জানতে পারে, জাহাজের রহস্যময় ক্যাপ্টেন আহাবের লক্ষ্য সাধারণ তিমি শিকার নয়—তার একমাত্র লক্ষ্য বিশাল সাদা তিমি মোবি ডিক। প্রতিশোধের নেশায় আহাবের এই ভয়ংকর অভিযান ধীরে ধীরে জাহাজের প্রত্যেক মানুষকে টেনে নিয়ে যায় অনিশ্চিত এক পরিণতির দিকে।
রি রাইডার হ্যাগার্ডের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর ও রহস্যময় উপন্যাস। অধ্যাপক হোরেস হলি ও তরুণ লিও ভিন্সি আফ্রিকার এক অজানা অঞ্চলে হারিয়ে যাওয়া এক প্রাচীন রাজ্যের সন্ধানে যাত্রা করে। সেখানে তারা মুখোমুখি হয় রহস্যময় আমাহাগার জাতি, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং অমর এক নারীর—আয়েশা, যাকে সবাই জানে “She-who-must-be-obeyed” নামে।
হোয়েন দ্য ওয়ার্ল্ড শুক হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের রোমাঞ্চ, হারানো সভ্যতা ও কল্পবিজ্ঞানের অনন্য সমন্বয়ে লেখা উপন্যাস। এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে জাহাজডুবির পর হামফ্রি আরবাথনট, ড. বিকলি ও বাস্টিন দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় ওরোফেনা দ্বীপে আটকা পড়ে। সেখানে তারা আবিষ্কার করে আড়াই লাখ বছর ধরে স্ফটিকের কফিনে সুপ্ত থাকা এক প্রাচীন সভ্যতার দুই মানুষ—লর্ড ওরো ও তাঁর কন্যা ইভা। কিন্তু তাদের জাগিয়ে তোলার পর তিন বন্ধুর সামনে খুলে যায় এমন এক রহস্য, যা সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে তুলতে পারে।
ক্লিওপেট্রা হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের ঐতিহাসিক রোমান্স ও রোমাঞ্চে ভরা উপন্যাস। প্রাচীন মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার জীবন, প্রেম, রাজনীতি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই কাহিনি। রোমান সাম্রাজ্যের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, মিশরের রাজপরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং প্রেম ও বিশ্বাসঘাতকতার জটিলতায় ক্লিওপেট্রার ভাগ্য ক্রমশ এক ভয়ংকর পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।
শি এবং অ্যালান হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, যেখানে দুঃসাহসী অভিযাত্রী অ্যালান কোয়াটারমেইন পৌঁছে যায় আফ্রিকার এক রহস্যময় ও অজানা অঞ্চলে। মৃতদের সঙ্গে যোগাযোগের আকাঙ্ক্ষা তাকে টেনে নিয়ে যায় এক কিংবদন্তি সাদা রানি ও হারিয়ে যাওয়া রাজ্যের সন্ধানে। প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, বিপজ্জনক শত্রু, অজানা উপজাতি এবং অতিপ্রাকৃত শক্তির মুখোমুখি হয়ে অ্যালানের অভিযান শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যায় রহস্যময় অমর নারী আয়েশার কাছে।
শারলক হোমস খ্যাত স্যার আর্থার কোনান ডয়েল রচিত বিখ্যাত ‘দ্য এক্সপ্লয়েটস অব ব্রিগেডিয়ার জেরার্ড’ সিরিজের এক অসম সাহসী রোমাঞ্চকর গল্প। লর্ড ওয়েলিংটনের সুরক্ষিত ইংরেজ দুর্গলাইনের ভেতর ঢুকে কীভাবে এক ফরাসি অফিসার বুদ্ধির জোরে তাস এবং যুদ্ধক্ষেত্র—দুটোতেই ‘রাজা’ কাবু করেছিলেন, সেই গল্পই উঠে এসেছে এতে। অ্যাকশন, চতুরতা আর ফরাসি বীরত্বের এক দুর্দান্ত প্রকাশনা!
হার্ট অফ দি ওয়ার্ল্ড হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস। মেক্সিকোর দুর্গম Chiapas অঞ্চলে এক প্রাচীন রহস্যের সূত্র ধরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডন ইগ্নাশিও এবং ইংরেজ অভিযাত্রী জেমস স্ট্রিকল্যান্ড যাত্রা করে এক কিংবদন্তিতুল্য হারিয়ে যাওয়া নগরীর সন্ধানে। প্রাচীন সভ্যতা, গুপ্তধন, বিপজ্জনক অভিযান, প্রেম এবং প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষায় ভরা এই কাহিনি পাঠককে নিয়ে যায় রহস্যময় “হার্ট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড” বা পৃথিবীর হৃদয় নামে পরিচিত সেই গোপন নগরীর অন্তরে।
ট্রেজার আইল্যান্ড রবার্ট লুইস স্টিভেনসনের বিশ্ববিখ্যাত রোমাঞ্চকর জলদস্যু-কাহিনি। তরুণ জিম হকিন্সের হাতে এসে পড়ে একটি গুপ্তধনের মানচিত্র, আর সেই মানচিত্র তাকে নিয়ে যায় সমুদ্রযাত্রা, রহস্যময় দ্বীপ, জলদস্যু ও লুকানো বিপদের এক দুর্দান্ত অভিযানে। বিশ্বস্ততা, সাহস, বিশ্বাসঘাতকতা ও গুপ্তধনের সন্ধানে এগিয়ে চলে এই কালজয়ী রোমাঞ্চ কাহিনি।













Catalog –
Good.
[...]